বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ মোহনপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গণ সচেতনতা মূলক প্রচার অভিযান ◈ রাজশাহী বিভাগের ১২ পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলগণ শপথ নিলেন ◈ গোদাগাড়ীতে আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণে দুইদিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ ◈ মোহনপুরে এসপির নামে ফোন করে সার্জেন্ট এর সাথে প্রতারণা ◈ সিরাজগঞ্জে বাস ট্রাক সংঘর্ষে ৫ জন নিহত ◈ মহাদেবপুরের আশ্রয প্রকল্প পরিদর্শন করলেন বিভাগীয কমিশনার ◈ নওগাঁয় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ডিজিটাল ম্যারাথনের উদ্বোধন ◈ বহুপ্রতিক্ষার পর অবশেষে শুরু হয়েছে খাসের হাট বাজারের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কাজ ◈ বাগমারায় আবাদি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়, চলছে পুকুর খননের হিরিক প্রশাসন নীরব ◈ রাজশাহী গোদাগাড়ীতে ৯৮৫ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

ধুঁকছে সংবাদপত্রশিল্প

প্রকাশিত : ০৪:০৬ পূর্বাহ্ণ, ১৫ আগস্ট ২০১৯ বৃহস্পতিবার ৩৯০ বার পঠিত

দৈনিক সত্যের সন্ধান নিউজ ডেক্স, :

 

বছর পাঁচেক আগে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের নির্বাহী কমিটির সঙ্গে এক বৈঠকে তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সংবাদপত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণার ফলে দেশে শক্তিশালী সংবাদপত্রশিল্প গড়ে উঠবে। শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাত দিয়ে ওই সময় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, শিল্প হিসেবে ঘোষিত হওয়ার কারণে এ শিল্পে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে কম হারের শুল্ক সুবিধা পাওয়া যাবে। প্রচলিত আইনে অন্যান্য শিল্প খাত যেসব সুবিধা পাচ্ছে, সংবাদপত্রের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রযোজ্য হবে। পাঁচ বছর পর এসে দেখা যাচ্ছে, শুধু ছাপার খরচই বাড়েনি, বাড়তি দামে কাগজ কিনতে হচ্ছে।

নিউজপ্রিন্ট আমদানি করার ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক দিতে হয় ৫ শতাংশ, ভ্যাট ১৫ শতাংশ, অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ। সব মিলিয়ে ছাপার আগেই ৩১ শতাংশ খরচ হয়ে যায়। পাঁচ বছর আগে শিল্প হিসেবে বিকাশের যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, সে অবস্থা আজ নেই। সংবাদপত্র এখন রুগ্ণ শিল্পে পরিণত হয়েছে। ব্যাবসায়িক দিক দিয়ে খাতটি একেবারেই লাভজনক নয় এখন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এসব বিষয় তুলে ধরে নানা শুল্ক ও কর কমিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে। বৈঠকে উল্লেখ করা হয়েছে, বিজ্ঞাপনের উেস আয়কর বিদ্যমান ৪ শতাংশ এবং কাঁচামালের ওপর উেস কর্তিত আয়কর ৫ শতাংশসহ মোট ৯ শতাংশ ব্যয় করতে হয়। অথচ পত্রিকা বিক্রি করে ৯ শতাংশ লাভ করা যায় না। সংবাদপত্রশিল্প ভ্যাট-অব্যাহতিপ্রাপ্ত খাতের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও কাস্টমস প্রসিডিউর কোডের মাধ্যমে ধার্য হওয়া করের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কর্তন করা হয়। নোয়াবের সদস্যরা এই ভ্যাট প্রত্যাহার ও ৩৫ শতাংশ করপোরেট কর ১০ থেকে ১২ শতাংশে নামিয়ে আনার পাশাপাশি বিজ্ঞাপন আয়ের উেস কর অর্ধেকে নামানোসহ কাঁচামালের উেস কর প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন। এনবিআর চেয়ারম্যান নোয়াবের তুলে ধরা বিভিন্ন দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলে খবরে প্রকাশ।

তবে শুধু আশ্বাস নয়, সংবাদপত্রশিল্পকে বাঁচাতে সত্যিকার অর্থেই সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। নানা প্রচারমাধ্যমের কারণে সংবাদপত্রশিল্প এমনিতেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে বাড়ছে খরচ। সব মিলিয়ে ব্যয় সংকোচন করতে হচ্ছে সংবাদপত্রশিল্পকে। শুল্ক ও কর কিছুটা রেয়াত দিলে তা সংবাদপত্রশিল্প বিকাশের জন্য সহায়ক হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করা হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক সত্যের সন্ধান'কে জানাতে ই-মেইল করুন- sattersandhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক সত্যের সন্ধান'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক সত্যের সন্ধান | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT