শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ মোহনপুর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ মৌগাছি ইউপি শাখার কমিটি গঠণ ◈ মোহনপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গণ সচেতনতা মূলক প্রচার অভিযান ◈ রাজশাহী বিভাগের ১২ পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলগণ শপথ নিলেন ◈ গোদাগাড়ীতে আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণে দুইদিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ ◈ মোহনপুরে এসপির নামে ফোন করে সার্জেন্ট এর সাথে প্রতারণা ◈ সিরাজগঞ্জে বাস ট্রাক সংঘর্ষে ৫ জন নিহত ◈ মহাদেবপুরের আশ্রয প্রকল্প পরিদর্শন করলেন বিভাগীয কমিশনার ◈ নওগাঁয় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ডিজিটাল ম্যারাথনের উদ্বোধন ◈ বহুপ্রতিক্ষার পর অবশেষে শুরু হয়েছে খাসের হাট বাজারের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কাজ ◈ বাগমারায় আবাদি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়, চলছে পুকুর খননের হিরিক প্রশাসন নীরব

২০ বছর ধরে যে নারীদের খুঁজছেন রোনালদো

প্রকাশিত : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ণ, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শুক্রবার ৩৩৮ বার পঠিত

দৈনিক সত্যের সন্ধান নিউজ ডেক্স, :

একটা তারকা ফুটবলারের সাফল্যের পেছনে ঠিক কতটা কষ্টের খতিয়ান থাকে? কত যন্ত্রণা, কতটা ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রহর অতিবাহিত করলে একজন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো হওয়া যায়?

সেসব কষ্টের আখ্যানের পুরোটা কেউ জানে না। জানলে হয়তো পৃথিবীতে একজন নয়, একের বেশি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো থাকত। সব ফুটবলারই সাফল্যের শিখরে উঠতে পারত। কিছুদিন আগে রোনালদো নিজেই কষ্টের দিনগুলোর কিছু কাহিনি বলেছেন এক সাক্ষাৎকারে।

ব্রিটিশ টিভি তারকা পিয়ার্স মরগানকে কিছুদিন আগেই একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন রোনালদো। আইটিভিতে প্রচারিত সেই সাক্ষাৎকারটিতে উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রসঙ্গ। উঠে এসেছে রোনালদোর উঠে আসার দিনগুলোর গল্প। বাবার সঙ্গে আদর্শ সম্পর্ক না থাকার হতাশা, ব্যক্তিগত জীবন, ফুটবলার হিসেবে চাওয়া পাওয়ার গলগুলো। এর মাঝে অনন্য হয়ে আছেন তিন নারী যারা রোনালদোকে আজকের রোনালদো হিসেবে গড়ে তোলায় কিছুটা হলেও ভূমিকা রেখেছেন।

নিজের উঠে আসার সময়ে কত আত্মত্যাগ করতে হয়েছিল সেটা জানাচ্ছিলেন রোনালদো, ‘আমি যখন ১১ বা ১২ বছরের ছিলাম, তখন আমাদের কাছে কোনো অর্থ ছিল না। আমরা লিসবনের ওই অংশে থাকতাম যেখানে বাকি সব কিশোর ফুটবলাররা থাকত। আমার পরিবার ছিল মাদেইরাতে, ওদের সঙ্গে তিন মাস পর পর দেখা হতো। এটা ছিল খুব কঠিন। পরিবার ছাড়া এভাবে থাকা খুব কঠিন।’

এ কঠিন সময়ে রোনালদোর মতো অন্য কিশোর ফুটবলারদের দিনটা উজ্জ্বল হয়ে উঠত তিন অসাধারণ মানুষের জন্য। খুব সাধারণ মানুষ তারা, খেটে খাওয়া মানুষ সবাই। তারা কাজ করতেন বিশ্বখ্যাত ফাস্ট ফুড চেইন ম্যাকডোনাল্ডসে। রোনালদোর এখনো মনে আছে সে দিনগুলোর কথা, ‘রাত একটু গভীর হলে, ধরেন সারে দশটা বা এগারোটা বাজলে ক্ষুধা লাগত। যে স্টেডিয়ামের পাশে আমরা থাকতাম সেখানেই একটা ম্যাকডোনাল্ডস ছিল। প্রায়ই আমরা পেছনের দরজায় গিয়ে নক করতাম আর বলতাম, কোনো বার্গার আছে? এডনা ও বাকি মেয়ে দুজনের মমতা ছিল অবিশ্বাস্য।’

রোনালদোর জীবন এখন বদলে গেছে। ১৮ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলে পা রাখার পর থেকে আর অর্থের অভাব হয়নি তাঁর। তবে কখনো এডনাদের কথা ভোলেননি। মরগানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এডনাদের খুঁজে পাওয়ার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন, ‘আমি তাঁদের আর খুঁজে পাইনি। আমি পর্তুগালে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি, খোঁজার চেষ্টা করেছি তারা কোথায় কারণ আমি তাদের হদিস পাচ্ছি না। ওরা সেই ম্যাকডোনাল্ডটা বন্ধ করে দিয়েছে। আশা করছি এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে আমি তাদের খুঁজে পাব। আমি তাহলে খুব খুশি হব। কারণ আমি এডনাকে তুরিন বা লিসবনে দাওয়াত দিতে চাই। আমার বাসায় এসে আমার সঙ্গে ডিনার করুক সেটা চাই। ওদের খুঁজে পেতে চাই কারণ আমি ওই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করতে চাই। আমি কখনো এটা ভুলব না।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক সত্যের সন্ধান'কে জানাতে ই-মেইল করুন- sattersandhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক সত্যের সন্ধান'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক সত্যের সন্ধান | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT