বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ শিক্ষার প্রসার ঘটাতে শিগগিরই নওগায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে- খাদ্যমন্ত্রী ◈ নোয়াখালী সুবর্ণচরে মন্দিরে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব ◈ কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে গোদরোগ নির্মূলে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণসভা অনুষ্ঠিত ◈ বাগমারায় পূজা মন্দিরের নিরাপত্তায় সশস্ত্র আনসার ◈ সাইনোসাইটিস রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে বললেন, ডা. সাইফুল আলম ◈ স্বাস্থ্য বিধি মেনে কুড়িগ্রামে উৎসব-আনন্দে চলছে ৪৯৭টি মন্ডপে দূর্গাপূজা ◈ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী পুলিশ সুপারের শুভেচ্ছা উপহার প্রদান ◈ মহাদেবপুরে সড়ক গুলোতে বেপরোয়াভাবে চলছে চার্জার চালিত রিক্সা-ভ্যান, বাড়ছে দূরঘর্টনা! ◈ কুড়িগ্রামে পুঁজায় শতাধিক হরিজন শিশু নতুন পোষাক পেল ◈ সাংবাদিকের পিতৃবিয়োগ, মনীন্দ্র চন্দ্র দত্ত ভৌমিক আর নেই

কলার দাম বেশী হওয়ায় ঝুঁকে পড়েছেন মহাদেবপুরের কলা চাষীরা

প্রকাশিত : ০৮:৫১ অপরাহ্ণ, ৯ অক্টোবর ২০২০ শুক্রবার ৯৮ বার পঠিত

ডা.আব্দুল্লাহ আল ওয়াদুদ, মহাদেবপুর প্রতিনিধি:

কলার দাম বেশী হওয়ায় ঝুঁকে পড়েছেন মহাদেবপুরের কলা চাষীরা। সারি সারি বাগান থেকে কলা বিক্রি করে প্রচুর টাকার মুখ দেখছেন চাষীরা। বাজারে উচ্চমূল্য এবং ব্যাপক চাহিদার কারণে বাগানের কলা নিয়ে সামান্যতম দুশ্চিন্তাও করতে হয়না কৃষকদের। বাগানে চাষ আবার বাগানে বসেই বিক্রি। ক্রেতারা বাগানে বাগানে ঘুরে কলা ক্রয় করে নিয়ে আসেন। অনেক ক্রেতা আবার বাগানের সমুদয় কলা আগাম ক্রয় করে রাখেন। এ ফসল চাষ করে যেখানে বাজারমূল্য ও বিক্রি নিয়ে নেই কোন দুশ্চিন্তা সেখানে কৃষকদের ঝুঁকে পড়াটাই স্বাভাবিক। কোন দুশ্চিন্তা ছাড়াই স্বল্প খরচ ও নামমাত্র পরিশ্রমে বেশী লাভের দেখা পাওয়ায় উপজেলার সহস্রাধিক কৃষক তাদের তুলনামূলক উঁচু জমিগুলোকে পরিকল্পিতভাবে তৈরী করে কলাচাষের ক্ষেত বানিয়েছেন। এ ক্ষেত থেকে কৃষক প্রতিদিনই বিক্রি করছেন ক্যানে ক্যানে কলা আর পকেটে ভরছেন বাড়তি টাকা। এভাবে কলাচাষী পরিবারগুলোতে বিরাজ করছে স্বচ্ছল অবস্থা। তাদের দেখাদেখী অন্যান্য কৃষকরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন কলাচাষের। কলার বাজারমূল্য এবং চাহিদা এরকমই থাকলে শস্যভান্ডারখ্যাত এ জেলায় নিকট ভবিষ্যতে কলাচাষেও বিপ্লব ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ব্যাপক সফলতার মুখ দেখা এনায়েতপুরের কৃষক সরদার খায়রুল আলম,হাফিজুর রহমান, ইন্দাইয়ের আঃ সালাম, শেরপুরের শামীম, কার্লনার মোস্তাফিজুর রহমান, বুজরকান্তপুরের আঃ কুদ্দুস ও মহিনগরের হারুন জানান, প্রতিবিঘা জমিতে কলাচাষ করতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার খরচ হয়। ওই জমির কলা বিক্রি করে খরচ বাদে লাভের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ লক্ষ টাকা। তারা জানান, কলা বিক্রির জন্য হাটবাজারেও যেতে হয়না। ক্রেতারা বাগান থেকেই ক্রয় করে নিয়ে যান। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আঃ মোমিন জানান, প্রতিবিঘা জমিতে সারিবদ্ধভাবে ৩৯০ থেকে ৪২০টি কলাগাছ রোপন করা যায়। রোপনের পর থেকে কৃষক ওই বাগান থেকে এক নাগাড়ে ২ থেকে ৩ বছর পর্যন্ত কলা বিক্রি করতে পারেন। রোপনকালীন ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচের পর থেকে পরবর্তী বছরগুলোতে বাগানের যত্ন ছাড়া কৃষকের আর তেমন খরচ হয়না। বাগানের কলা বিক্রির পাশাপাশি একই বাগান থেকে কৃষক কলার চারাগাছ বিক্রি করেও ভাল আয় করেন বলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আঃ মোমিন জানান। বাগানের প্রতিটি চারাগাছ ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার কুষিবীদ বাবু অরুণ চন্দ্র রায় জানান, এবার উপজেলায় ১শ ৫০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ করা হয়েছে। তবে ক্রমেই কলাবাগানের সংখ্যা বাড়ছে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক সত্যের সন্ধান'কে জানাতে ই-মেইল করুন- sattersandhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক সত্যের সন্ধান'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক সত্যের সন্ধান | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT