বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু! ◈ কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের ৫৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ◈ নওগাঁয় ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যায়ে ভুমি অফিসের ভবন নির্মানের ফলক উন্মোচন ◈ হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে হস্তান্তর ◈ রাজশাহী আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ◈ প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ◈ আলু নিয়ে আলুবাজী : মানছে না সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম ◈ বেগমগন্জের ঘটনায় মূলহোতা দেলোয়ারকে হত্যা মামলায়, ইস্রাফিলকে নির্যাতন মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড ◈ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে- খাদ্যমন্ত্রী ◈ মোহনপুর ও দুর্গাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২ আহত-৫

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ ও মানবিক ছাত্রলীগ

প্রকাশিত : ১২:০৮ অপরাহ্ণ, ৬ মে ২০২০ বুধবার ১০১ বার পঠিত

দৈনিক সত্যের সন্ধান নিউজ ডেক্স, :

করোনা আতঙ্কে গোটাবিশ্ব। একটু হাঁচি কাশিতে মানুষ মনে করছে এই বুঝি সে করোনায় সংক্রমিত হলো। কত যে দুশ্চিন্তায় মানুষ জীবন পার করছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এর মধ্যে আভাস রয়েছে মহামারীর আশঙ্কা। এসব পরিস্থিতিতে সৃষ্টিকর্তাই একমাত্রই ভরসা। বিগত বছরগুলোতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঠিক নেতৃত্বে ও দিক নির্দেশনায় বিভিন্ন ষড়যন্ত্র সফলতার সঙ্গে আমরা অতিক্রম করেছি। এবারও প্রধানমন্ত্রীর সময়োচিত ও সঠিক কর্ম পরিকল্পনায় জাতি করোনার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে বলে বিশ্বাস করি। দেশ এক ভয়াবহ সময় পার করছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মতো যদি অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দফতর এবং জনপ্রতিনিধিরা কাজ করত, তাহলেই করোনা সঙ্কট মোকাবেলা সহজ হতো। বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও মন্ত্রীগণ যেভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল মিটিং অবশ্যই প্রশংসিত। এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সুস্থ থাকা খুবই জরুরী।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৩৮তম অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশ। নিজস্ব অর্থায়নে বাংলাদেশের বড় সেতু পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের পথে। এছাড়াও আরও অনেক মেগা প্রকল্পের কাজ চলমান। প্রধানমন্ত্রীর সুষ্ঠু পরিকল্পনায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। তাঁর সঠিক দিকনির্দেশনায় করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার সঠিক অবস্থানে রয়েছে। যা খুবই স্বস্তির খবর। যদিও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কিছু সমন্বয়হীনতা মানুষের চোখে পড়েছে। তা আমাদের হতাশও করছে। কিন্তু ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সকলের নিকট সুন্দরভাবে গৃহীত হয়েছে। সকলেই তাঁর এ ধরনের ভাষণের জন্য অপেক্ষা করেছিল মনে হয়েছে। সবাই খুশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমের ওপর। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং পোশাক মালিকের কার্যক্রমের বিষয়ে সাধারণ নাগরিকরা কিছুটা বিরক্ত। প্রধানমন্ত্রীর ওই ভাষণের পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য দফতরের কাজে গতি পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, সেনাবাহিনী, পুলিশসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী কর্মী এবং সচেতন নাগরিকরা সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে করোনা মোকাবেলায় কাজ করছে। তাঁর ধারাবাহিক ভাষণ ও অনলাইন মিটিংগুলো করোনা সংক্রমণ রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ভাষণ থেকে এটাই উপলদ্ধি হয় যে সরকার কোভিড-১৯ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এটাই দেশবাসী প্রত্যাশা করছে। চীন বাংলাদেশকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে, এটা প্রধানমন্ত্রীর প্রাজ্ঞ কূটনৈতিক চিন্তার ফসল। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ডাকে ভার্চুয়াল মিটিং এ দেয়া আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দুটো প্রস্তাব খুবই উল্লেখযোগ্য ছিল।

সরকার কর্তৃক সারাদেশের সিটি কর্পোরেশন, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি করার সিদ্ধান্তটি বেশ ভাল, কিন্তু এই কমিটি কাজ করছে কিনা তা মনিটরিং করা দরকার। বর্তমানে করোনা সংক্রমণ নির্ণয়ে টেস্ট করার ব্যবস্থা কম থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তাছাড়া অন্যান্য প্রস্তাব যেমন সশস্ত্র বাহিনী ব্যবহার, বিভিন্ন জেলায় জীবাণুনাশক ছিটানো, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, হতদরিদ্র মানুষকে সরকারী আর্থিক সহায়তা এবং সাধারণ ছুটি প্রলম্বিত করা সিদ্ধান্তগুলো খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। যা করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাবে বলে মনে করছি। প্রধানমন্ত্রীর করোনা মোকাবেলায় ঘোষিত চার পরামর্শ ও বার্তা : প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়া, ছয়টি বিভাগীয় শহরে করোনা পরীক্ষাগার স্থাপনের সিদ্ধান্ত, করোনায় ভীত না হওয়া, সবাইকে ধৈর্য ধরতে বলা- জনমনে আতঙ্ক কমাতে বেশ ভূমিকা রাখছে।

করোনাভাইরাসে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোট ৯৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। তা অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক গতিশীলতা অব্যাহত থাকবে ও অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করি। সম্ভাব্য সঙ্কট উত্তরণের জন্য সরকার মূলত চারটি কৌশল অবলম্বন করবে- (১) সরকারী ব্যয় বৃদ্ধি; (২) আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ প্রণয়ন; (৩) সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি; ও (৪) মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি। এই চারটি আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের মাধ্যমে যে বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে – ক) ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা প্রদান; খ) ক্ষুদ্র-কুটির ও মাঝারি শিল্পে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা প্রদান; গ) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবর্তিত, এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের সুবিধা বাড়ানো; ঘ) প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট রিফাইন্যান্স স্কিম প্রণয়ন করা।

প্রধানমন্ত্রী কৃষিতে অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলায় ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন। এই প্রণোদনা প্যাকেজে গ্রামের ক্ষুদ্র চাষীরাও সহায়তা পাবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আগামী বাজেটে সারের ক্ষেত্রে আরও ৯ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি প্রদান ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বীজ ও চারা বিতরণের জন্য ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিরা এ তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৫% সুদে ঋণ পাবে। কেউ পেঁয়াজ, মরিচ, রসুন, আদাসহ মসলাজাতীয় কিছু উৎপাদন করলে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদেরকে মাত্র ৪% সুদে ঋণ দিবে। এছাড়াও চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক প্রণোদনা করোনা মোকাবেলায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে। কিন্তু এই প্রণোদনা প্যাকেজের যেন অপব্যবহার না হয় সেদিকেও কঠোর নজর রাখতে হবে। দুর্যোগের এ সময়ে ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজগুলো অবশ্যই প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছে বিশেজ্ঞরা। আবার কেউ কেউ মনে করছে প্যাকেজ বাস্তবায়ন করা কঠিন হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ খাদ্য নিরাপত্তা, শ্রমিক, কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে বলে বিশ্বাস করি। বর্তমান সঙ্কটের সময়ে বড় বড় শিল্পপতিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর মাধ্যমে বেশি বেশি করে দুস্ত ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো দরকার। এটাই সময় ‘মানুষ মানুষের জন্য’। করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনাও জেলা প্রশাসকগণ এবং জনপ্রতিনিধিরা মানুষকে সচেতনতার কাজে ব্যবহার করছে, যা করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন জেলায় কৃষকের পাকা ধান কেটে দিচ্ছে ছাত্রলীগ। করোনা পরিস্থিতির কারণে শ্রমিক না পাওয়ায় তারা পাকা ধান কাটতে পারছিলেন না। সেখানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কৃষকের পাকা ধান কেটে সহযোগিতা করছে। তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। কাল বৈশাখীর মাসে যে কোন সময় ঝড় বৃষ্টি হলে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রথমে অনেক কৃষক বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না, ছাত্রলীগ বিনা পারিশ্রমিকে তাদের ধান কেটে ঘরে তুলে দেবে। পরে যখন তারা জমির ধান কেটে বাড়িতে এনে দিল তখন কৃষকের মুখের হাসি কে দেখে! করোনা সঙ্কটকালীন সময়ে কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দেয়ায় ছাত্রলীগের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুধু ধান কাটা নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনসহ সব গণতান্ত্রিক অন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয় এবং প্রশংসনীয়।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অনেক কাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে করোনা মোকাবেলায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি এবং বিতরণ করছে ছাত্রলীগ। এছাড়াও মাইকিং করে জনসচেতনতা সৃষ্টি, ফ্রি মুখের মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস বিতরণ, লিফলেট বিলিসহ অসহায় ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। যে কোন মানবিক সঙ্কটে তারা সাধারণ মানুষের পাশে থাকে। কিছু দুষ্কৃতকারী বা অতি উৎসাহী ছাত্রলীগ কর্মী মাঝে মধ্যে সংগঠনের দুর্নাম করে থাকে। কারণ হাতের পাঁচ আঙ্গুল তো সমান না। আর যারা অপকর্মে জড়িত বা সংগঠনের দুর্নাম করছে, তার বিচারও বিগত সময়ে সাধারণ জনগণ দেখতে পেয়েছে। যেমন বিভিন্ন অভিযোগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি আরও নির্দেশ দিয়েছেন যেন সবাই ঠিকমতো খাবার পায় এবং পাশাপাশি রেশন কার্ডের তালিকা থেকে কোন অসহায়, গরিব ও দুস্থ মানুষ বাদ না যায়। এই সঙ্কটে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য আমাদের দু-মুঠো আহারের জোগান দেবে। তাই কৃষি আমাদের একমাত্র ভরসা। করোনা সংক্রমণের ভয়ে যখন প্রিয় মাকে জঙ্গলে ফেলে রেখে চলে যায় সন্তান, আক্রান্ত স্বামীকে ছেড়ে চলে যায় তার প্রিয়তমা স্ত্রী। নিজ পরিবারের কেউ বাবা-মা-ভাই-বোনের লাশ নিতে আসছে না হাসপাতালে, দাফন-সৎকারে লাশের পাশে নেই স্বজনরা। সেখানে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এটাই হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ছাত্রলীগ। আমি গর্বিত কারণ আমি ছাত্রলীগের একজন ছিলাম।

লেখক : পিএইচডি ফেলো, জংনান ইউনির্ভাসিটি অব ইকোনমিকস এ্যান্ড ল, উহান, চীন এবং শিক্ষক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক সত্যের সন্ধান'কে জানাতে ই-মেইল করুন- sattersandhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক সত্যের সন্ধান'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক সত্যের সন্ধান | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT