শুক্রবার ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ করোনায় বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সমবায় রোল মডেল:- মোঃ রুহুল আমিন মোল্যা পরিদর্শক জেলা সমবায় কার্যালয় ◈ পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে গম সংগ্রহের উদ্বোধন ◈ মোহনপুর থানার ওসি তৌহিদুল আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানে সম্মাননা পেলেন ◈ রাজশাহীর মোহনপুরে লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত ◈ দেশের দুর্দিনে মাস্ক হাতে রাস্তায় রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাব ◈ আটোয়ারীতে লকডাউন কার্যকরে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের যৌথ মহড়া ◈ রমজানের শুরুতেই বেগুনের বাজারে আগুন! ◈ মহাদেবপুরে ২ সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগে হাজী শরিফের বিরুদ্ধে মামলা ◈ সুবর্ণচরের বিএমএসএফ এর উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ◈ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে কৃষি জমি ও বনজফলজ গাছ যাচ্ছে ইভাটার পেটে

৫ নয়, ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন কৃষক

প্রকাশিত : ০৯:২২ পূর্বাহ্ণ, ১৪ এপ্রিল ২০২০ মঙ্গলবার ২২৭ বার পঠিত

দৈনিক সত্যের সন্ধান নিউজ ডেক্স, :

করোনাভাইরাসে কৃষি খাতের ক্ষতি মোকাবিলায় কৃষকের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার ‘কৃষি খাতে বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ নামে একটি বিশেষ তহবিল গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ১৮ মাস (৬ মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ) মেয়াদি এ ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার হবে ৪ শতাংশ।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

এর আগে রোববার ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্যকালে করোনাভাইরাসে কৃষি খাতের ক্ষতি মোকাবিলায় কৃষকের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরই কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহের উদ্দেশ্যে পাঁচ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন ও পরিচালনার নীতিমালা জারি করল বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়েছে, সম্প্রতি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনসহ অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সীমিত হয়ে পড়েছে। দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের কৃষি খাত। এই খাতে পর্যাপ্ত অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হলে দেশের সার্বিক কৃষি খাত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। সেজন্যই কৃষি খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এই স্কিমের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণে ইচ্ছুক তফসিলি ব্যাংকসমূহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করবে। চুক্তির মাধ্যমে এই স্কিমের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকদের অনুকূলে ঋণ বিতরণপূর্বক মাসিক ভিত্তিতে পুনঃঅর্থায়নের জন্য আবেদন করতে হবে। ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ও সব ক্ষমতার ভিত্তিতে কৃষিঋণ বিভাগ কর্তৃক ব্যাংকসমূহের অনুকূলে তহবিল বরাদ্দ করা হবে। তবে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ বিতরণের পর বরাদ্দকৃত তহবিল থেকে পর্যায়ক্রমে তহবিলের সমপরিমাণ অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

শস্য ও ফসল খাতে চলমান ঋণপ্রবাহ পর্যাপ্ত থাকার দরুন এ খাত অপেক্ষা কৃষির চলতি মূলধন ভিত্তিক খাতসমূহে অধিকতর ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তাই এ খাতগুলোতে ঋণের প্রবাহ নিশ্চিত করা আবশ্যক। এর প্রেক্ষিতে চলতি মূলধনভিত্তিক কৃষির অন্যান্য খাতে (হর্টিকালচার অর্থাৎ মৌসুমভিত্তিক ফুল ও ফল চাষ, মৎস্য চাষ, পোলট্রি, ডেইরি ও প্রাণিসম্পদ খাত) পর্যাপ্ত অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হলে দেশের সার্বিক কৃষি খাত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে।

ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো বিদ্যমান কৃষি ও পলস্নী ঋণ নীতিমালায় বর্ণিত বিধিবিধানসমূহ অনুসরণপূর্বক ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের আলোকে কেস-টু-কেস ভিত্তিতে বিবেচনা করবে এবং প্রতিটি ঋণের জন্য পৃথক হিসাব সংরক্ষণ করবে। ঋণের মেয়াদ :ব্যাংকগুলো পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের তারিখ থেকে অনধিক ১৮ মাসের (১২ মাস + গ্রেস পিরিয়ড ৬ মাস) মধ্যে আসল এবং সুদ (বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ১% সুদ হারে) পরিশোধ করবে। আর ব্যাংকগুলোতে গ্রাহক পর্যায়েও ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ঋণ গ্রহণের তারিখ থেকে ১৮ মাস (৬ মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ)।

ঋণের সুদের হার : এ স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নির্ধারিত ১ শতাংশ সুদ হারে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবে। আর গ্রাহকপর্যায়ে সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ। এই সুদ হার চলমান গ্রাহক এবং নতুন গ্রাহক উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। ঋণ বিতরণের খাত :শস্য ও ফসল খাত ছাড়া কৃষির অন্যান্য চলতি মূলধন নির্ভরশীল খাতসমূহ (হর্টিকালচার অর্থাৎ মৌসুম ভিত্তিক ফুল ও ফল চাষ, মৎস্য চাষ, পোলট্রি, ডেইরি ও প্রাণিসম্পদ খাত)। তবে কোনো একক খাতে ব্যাংকের অনুকূলে বরাদ্দকৃত ঋণের ৩০ শতাংশের বেশি ঋণ বিতরণ করতে পারবে না। এছাড়া যেসব উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান কৃষকের কাছ থেকে উৎপাদিত কৃষিপণ ক্রয় করে সরাসরি বিক্রয় করে থাকে, তাদেরও এ স্কিমের আওতায় ঋণ বিতরণের জন্য বিবেচনা করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোনো উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানকে এককভাবে পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করতে পারবে না। এই স্কিমের আওতায় বিতরণকৃত ঋণের অর্থের কোনো অংশের সদ্ব্যবহার হয়নি জানতে পারলে, বাংলাদেশ ব্যাংক সমপরিমাণ অর্থের ওপর নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত ২ শতাংশ সুদসহ এককালীন জরিমানা করবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক সত্যের সন্ধান'কে জানাতে ই-মেইল করুন- sattersandhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক সত্যের সন্ধান'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক সত্যের সন্ধান | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT